ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫: একটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন স্থগিতের আদেশের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। সোমবার বিকেলে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ও ডাকসু নির্বাচনের প্যানেলের প্রার্থীদের উদ্যোগে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৫টার দিকে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ভিসি চত্বর থেকে শুরু হয়ে মধুর ক্যানটিন ঘুরে অপরাজেয় বাংলার সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সমাবেশে ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান বলেন, “ডাকসু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার ক্ষমতা কারও নেই। স্পষ্ট করে বলতে চাই, ৯ সেপ্টেম্বরই ডাকসু নির্বাচন হবে, এটি আটকানোর সাধ্য কারও নেই।”
প্রশাসন ও ডাকসু নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা এমন একটি নির্বাচনের আয়োজন করেছেন, যেখানে নির্বাচন বন্ধের বিভিন্ন ফাঁকফোকর রেখেছেন।”
ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী এস এম ফরহাদের প্রার্থিতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়, যিনি ‘অপরাজেয় ৭১, অদম্য ২৪’ প্যানেলের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক প্রার্থী। এ বিষয়ে আবিদুল ইসলাম বলেন, “ফরহাদ ৫ আগস্টের আগে বা পরে কখনোই ছাত্রলীগের পদ ত্যাগ করেননি। অন্যান্য ছাত্রলীগের পদধারীদের বাদ দেওয়া হলেও তাকে রাখা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “ডাকসু নিয়ে রিটের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিশির মনিরকে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ করেছে। আমাদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আপনারা আমাদের সঙ্গে তামাশা করছেন? কোনো দলের প্রতিনিধিত্ব করতে আপনাদের এখানে বসানো হয়নি।”
প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের বারবার অভিযোগ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। সাবধান হয়ে যান। নিরপেক্ষতা বজায় রাখুন।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস বলেন, “আর কোনো টালবাহানা চলবে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
হাইকোর্টের নির্বাচন স্থগিতের আদেশের কিছুক্ষণ পর চেম্বার আদালত তা স্থগিত করেন। ফলে এখন ডাকসু নির্বাচনের পথে আর কোনো বাধা নেই।
Note For Readers:
The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules.
Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters.
The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.