Tuesday, September 2, 2025

বিব্রতকর রেকর্ড গড়ে ১৩১ রানেই অলআউট ইংল্যান্ড

বাজবল ঘরানার ক্রিকেট খেলার জন্য বিখ্যাত ইংল্যান্ড। এই আগ্রাসী খেলার ধরন টেস্ট ফরম্যাটেও তারা বজায় রাখে। যদিও ভারতের বিপক্ষে সাম্প্রতিক টেস্ট সিরিজে বেন স্টোকসের নেতৃত্বে তাদের মানসিকতায় কিছুটা পরিবর্তন দেখা গেছে। এদিকে, মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করেছে ইংল্যান্ড। কিন্তু আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের চেষ্টায় মাত্র ২৪.৩ ওভারে ১৩১ রানে অলআউট হয়ে গেছে ইংলিশরা।

লিডসের হেডিংলিতে ব্যাটিং বিপর্যয়ের দিনে ইংল্যান্ড বেশ কয়েকটি বিব্রতকর রেকর্ড গড়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলার কেশভ মহারাজ ও উইয়ান মুল্ডারের দাপটে ইংলিশ ব্যাটারদের মধ্যে জেমি স্মিথ সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন। এছাড়া কোনো ব্যাটার ১৫ রানের গণ্ডি অতিক্রম করতে পারেননি। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে ইংল্যান্ড।

ওয়ানডেতে একজন ব্যাটারের ফিফটি সত্ত্বেও ১৩১ রান ইংল্যান্ডের তৃতীয় সর্বনিম্ন সংগ্রহ। এর আগে ১৯৮১ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ইয়ান বোথামের ৬০ রানের পর ১২৫ এবং ১৯৮৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ডেভিড গাওয়ারের ৫৩ রান সত্ত্বেও ১২৭ রানে অলআউট হয়েছিল তারা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এর চেয়েও কম রানে অলআউটের নজির আছে। ১৯৯৯ সালে ওভালে ১০৩, ২০০০ সালে জোহানেসবার্গে ১১১ এবং ১৯৬৬ সালে পূর্ব লন্ডনে ১১৫ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। হেডিংলিতে ১৩১ রান ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন সংগ্রহ। এর আগে ১৯৭৫ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তারা ৯৩ রানে অলআউট হয়েছিল। ওয়ানডের ইতিহাসে তাদের আরও দ্রুত অলআউট হওয়ার রেকর্ড আছে। সেদিক থেকে আজকের ম্যাচটি পঞ্চম স্থানে। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে এদিন ইংলিশরা টিকে ছিল মাত্র ২৪.৩ ওভার। এর আগে ২০২৩ বিশ্বকাপে তাদের বিপক্ষেই ২২ ওভারে গুটিয়ে গিয়েছিল। এছাড়া নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি ম্যাচে ২৩.৩ ও ২৪ ওভার এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে ২৪.২ ওভার টিকেছিল ইংল্যান্ড।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে সর্বনিম্ন রানের বিব্রতকর রেকর্ডও গড়েছে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে, প্রোটিয়া স্পিনারদের মধ্যে ওয়ানডেতে সেরা বোলিং ফিগার গড়েন কেশভ মহারাজ। মাত্র ৫.৩ ওভারে ২২ রান দিয়ে তিনি নেন ৪ উইকেট। এর আগে ২০১১ বিশ্বকাপে ইমরান তাহির দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ৩৮ রানে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন।

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.